স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের সাক্ষাৎ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের সাক্ষাৎ

মেজর জেনারেল হিসাবে পদোন্নতি ও র‌্যাংকব্যাজ পরার পর ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের-(এনটিএমসি) মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সোমবার ৯ আগস্ট  দুপুরে সেনা সদর দফতরে র‌্যাংকব্যাজ পরিধানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকালে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এলে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এরপর দু’জনের মধ্যে কিছুক্ষণ একান্ত আলাপচারিতা শেষে কেক কাটা হয়। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব আখতার হোসেন এবং সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সৌজন্য সাক্ষাতের সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের নানামুখী সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি তার পেশাদারিত্বের ভূয়শী প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে মেজর জেনারেল হিসাবে তিনি আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

২১ জুলাই জিয়াউল আহসানকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থেকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ সময় তিনি এনটিএমসি’র পরিচালক পদে কর্মরত ছিলেন। পদোন্নতির পর এনটিএমসি’র পরিচালক পদটিকে মহাপরিচালক পদে উন্নীত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে এনটিএমসি’র প্রথম মহাপরিচালক হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছেন মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান।

জিয়াউল আহসান ২০০৯ সালে মেজর পদে প্রেষণে বদলি হয়ে প্রথমে র‌্যাব-২ এর উপ-অধিনায়ক পদে নিযুক্ত হন। পরের বছর ২০১০ সালের ২৭ আগস্ট র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এরপর ২০১৩ সালের ৭ ডিসেম্বর তিনি র‌্যাব সদর দফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) হিসাবে দায়িত্ব পান। তিনি অসাম্প্রদায়িক এবং ন্যায়বিচারভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নেপথ্যে থেকে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি স্কাই ডাইভার এবং কমান্ডো প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি হিসাবে জিয়াউল আহসান দু’বার বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ সম্মানজনক বিপিএম (সাহসিকতা) ও দু’বার পিপিএম (প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক) প্রাপ্ত হন। বাংলাদেশে তিনিই একমাত্র কর্মকর্তা যিনি এককভাবে টানা চারবার পুলিশের সর্বোচ্চ ও দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদক অর্জন করতে সক্ষম হন। জিয়াউল আহসান ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।